1. jitsolution24@gmail.com : Rajbaribd desk : Rajbaribd desk
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন

গোয়ালন্দে জমজমাট পেঁয়াজ কলির বাজার

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৮
  • ১০৩৭ Time View

গোয়ালন্দ উপজেলার উজাচর ইউনিয়নের ছোট্ট একটি বাজার জামতলা হাট। এ ছোট্ট বাজারটিতে এখন একদিনে বিক্রি হচ্ছে অন্তত এক হাজার কেজি পেঁয়াজ কলি। কৃষক আর পাইকারী ব্যবসায়ীদের ভিড়ে বাজারটি এখন জমজমাট আকার ধারন করেছে।

জানা যায়, পেঁযাজ কলি পুষ্টিগুণেও ভরপুর আর এই সবজি খেতেও খুব সুস্বাদু। এছাড়া পেঁয়াজ কলিতে ঔষধি গুণও রয়েছে। তাই শীত মৌসুমে বহুল পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি সবজি হচ্ছে পেঁয়াজ কলি। তাছাড়া এ বছর পেঁয়াজের অত্যাধিক দামের সাথে সাথে পেঁয়াজকলির চাহিদাও বেশী। গোয়ালন্দ উপজেলার নিভৃত পল্লীর একটি বাজার জামতলার হাট। এ এলাকার পদ্মা পাড়ে আবাদ হয় শত শত বিঘা পেঁয়াজ। সেই পেঁয়াজের কলি বিক্রির জন্য কৃষকরা নিয়ে আসে জামতলা হাটে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পোঁয়াজকলির ব্যাবসায়ীরা বর্তমানে ভীড় জমাচ্ছে পল্লীর ওই জামতলা হাটে। হাটের মধ্যে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় পেঁয়াজ কলির বাজার স্থানান্তর হয়েছে পাশ^বর্তী জামতলা হাইস্কুলের মাঠে।

উপজেলার দুদুখান পাড়া গ্রামের পেঁয়াজের কলি ব্যবসায়ী মো. জাহিদ মোল্লা রাজবাড়ীবিডিকে জানান, জামতলা হাটে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ কলি আমদানীর খবর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে যাওয়ায় এখন দেশের নানা জায়গা থেকে বেপারীরা আসছে। এতে স্থানীয় কৃষকরা পেঁয়াজকলির ভালো দাম পাচ্ছেন। বর্তমানে প্রতিকেজি পেঁয়াজ কলি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ফরিদপুর থেকে আসা পেঁয়াজকলির ব্যবসায়ী আইজউদ্দিন শেখ রাজবাড়ীবিডিকে জানান, গোয়ালন্দের জামতলা হাটের পেঁয়াজকলি ঢাকা, যশোর, খুলনাসহ বিভিন্ন বড় বড় শহরে যাচ্ছে। একদিনে এখানে ৮শ থেকে ১ হাজার কেজি পোঁয়াজ কলি বিক্রি হয়ে থাকে। অন্যান্য বছর পেঁয়াজকলির এত চাহিদা থাকে না। তিনি আরো বলেন, কৃষকদের পেঁয়াজ চাষে এটা অতিরিক্ত আয়। অনেক সময় পেঁয়াজ চাষীদের কামলা দিয়ে পেঁয়াজের কলি তুলে ফেলেও দিতে হয়।

পেঁয়াজের কলি বিক্রেতা স্থানীয় কৃষক শহর আলী জানান, পেঁয়াজ চাষে একটা সময় কলি ভেঙেই ফেলতে হয়। তা না হলে পেঁয়াজের ক্ষতি হয়। অনেক সময় ফেলেও দিতে হয়। এখন চাহিদা আছে তাই বিক্রি হচ্ছে। এতে আমরা কিছুটা লাভবান হচ্ছি।

ফরিদপুর জেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ইসমাইল শেখ রাজবাড়ীবিডিকে জানান, তিনি বিভিন্ন পেঁয়াজ ক্ষেতে ঘুরে ঘুরে ২ মণ পেঁয়াজের কলি কিনে এ বাজারে নিয়ে এসেছিলেন। তার মতো আরো অনেক বেপারী রয়েছেন তারা বিভিন্ন কৃষকের জমি থেকে পেঁয়াজকলি কিনে এ বাজারে এনে একটু লাভে বিক্রি করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design by: JIT Solution