1. jitsolution24@gmail.com : Rajbaribd desk : Rajbaribd desk
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
Title :
অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করছেন রাজবাড়ীর সকল ফিলিং ষ্টেশন গোয়ালন্দে ৪ কেজি গাজাসহ যুবক গ্রেফতার পাংশায় কবি সাহিত্যিকদের মিলন মেলায় গুনীজন সংবর্ধনা প্রধামমন্ত্রীর জনসভা থেকে চুরি হওয়া ফোনসেট গোয়ালন্দে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ পাংশায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সংবর্ধনা পাংশায় জাল সনদে চাকুরীর অভিযোগ ‘বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব’ গোয়ালন্দে কৃষকলীগের সম্মেলনে নূরে আলম সিদ্দিকী হক ‘বিএনপি ভ্যান চালকদের নিকট থেকে চাল কেড়ে নিয়েছে’ -জিল্লুল হাকিম এমপি গোয়ালন্দে সহস্রাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশু নিয়ে দিনব্যাপী ব্যাতিক্রমী আয়োজন গোয়ালন্দে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা প্রদান

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পালাগান ও কিচ্ছা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৮
  • ১২৮৬ Time View

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর থেকে ॥
কালের বিবর্তনে ও সময়ের পরিক্রমায় ফরিদপুর থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী পালাগান ও কিচ্ছা-কাহিনী।

সুর, তাল, লয় এই তিন মিলিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করাকেই গান বলা হয়। এ গুলোর মধ্যে পালাগান ও কিচ্ছা-কাহিনী বাংলার লোকসংগীতের জনপ্রিয় ধারা হিসেবে তার অস্তিত্ব দৃঢ়ভাবে বজায় রেখেছিল। ফরিদপুরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলাতে এই কিচ্ছাপালা ছিল চোঁখে পড়ার মত। কিন্তু কালের পরিক্রমায় এই কিচ্ছাপালা দিন দিন তার জৌলুস হারাচ্ছে জেলার সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল থেকে।

জানা যায়, গুরুশিষ্য, গুণাইবিবি, রহিম-রূপবাণ, মহুয়াসুন্দরী, নারী-পুরুষ, কমলার বনবাস প্রভৃত পালাগানের সৃষ্টি বাংলার ঐতিহ্যবাহী জেলা ফরিদপুরে। এ অঞ্চলের মানুষের ফসল ঘরে তুলার পর সারা নদী-নালা, খাল-বিল ভরে যায় পানিতে। বর্ষায় কোন কাজ না থাকায় জেলার বিভিন্ন উপজেলাতে মানুষেরা হয়ে যায় আবেগপূর্ণ। সেই আবেগকে কেন্দ্র করেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় কিচ্ছা পালার জমজমাট আসর বসত।

শুধু তাই নয় জারি, সারি, ঘাটু গানেরও বসত বিরাট আসর। বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ সকলে মিলে শ্রবণ করত এই কিচ্ছা পালা। কিন্তু কালের পরিক্রমায় এখন তা হারিয়ে যেতে বসেছে। ডিজিটাল যুগে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে বিলুপ্তপ্রায় গ্রামাঞ্চলের লোকসংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার দাবী সাধারণ মানুষের।

এদিকে কিচ্ছাপালা আগের মত এখন আর অনুষ্ঠিত হয়না। কিন্তু এই লোকজ সংস্কৃতিকে ধরে রাখার কথা বলেন স্থানীয় বয়াতিরা। বর্তমানে ডিজিটাল সংস্কৃতির এই যুগে বিলুপ্তপ্রায় বাংলার লোকসংস্কৃতি তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে এগুলোকে ধরে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন ফরিদপুরের বিভিন্ন শিল্পীগোষ্ঠীর বয়াতি ও বাউলগণ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design by: JIT Solution