1. jitsolution24@gmail.com : Rajbaribd desk : Rajbaribd desk
শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
Title :
পাংশায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সংবর্ধনা পাংশায় জাল সনদে চাকুরীর অভিযোগ ‘বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব’ গোয়ালন্দে কৃষকলীগের সম্মেলনে নূরে আলম সিদ্দিকী হক ‘বিএনপি ভ্যান চালকদের নিকট থেকে চাল কেড়ে নিয়েছে’ -জিল্লুল হাকিম এমপি গোয়ালন্দে সহস্রাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশু নিয়ে দিনব্যাপী ব্যাতিক্রমী আয়োজন গোয়ালন্দে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা প্রদান পাংশায় নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ্যদের মধ্যে চেক বিতরণ পাংশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মান কাজের উদ্বোধন গোয়ালন্দে নারী স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে বিএনপি’র সভা-সমাবেশে অংশগ্রহন ও জমি দখলে অভিযোগ গোয়ালন্দে কৃষি কাজে পুরুষের পাশাপাশি নারী শ্রমিকরা ব্যাস্ত, মজুরী নিয়ে অসন্তোষ

মালয়েশিয়ায় টায়ার ব্যবসায় কোটিপতি রাজবাড়ীর সাইফুল

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৭
  • ২৪৪৪ Time View

‘৯২ সালে যখন মালয়েশিয়ায় আসি তখন সঙ্গে কোনো টাকা ছিলো না। এরপর টায়ারের দোকানো কাজ নেই। রাতদিন খাটাখাটনি করেছি। তবে ২০০৬ সালে মালয় এক নারীকে বিয়ের পর আমার ভাগ্যের পরিবর্তন শুরু হয়’।

বলছিলেন মালয়েশিয়ায় সফল বাংলাদেশি ব্যবসায়ী মো. সাইফুল। রাজবাড়ীর ছেলে সাইফুলের মালাক্কায় বর্তমানে টায়ারের জমজমাট ব্যবসা। ফোররং এলাকায় ৫৭ হাজার বর্গমিটার জায়গা জুড়ে পরিচালনা করছেন এ ব্যবসা। মালাক্কার সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার পাসার বোরং থেকে বাসে সেখানে যেতে সময় লাগে আধাঘণ্টা। দাঁড়িয়ে থেকে কাজ তত্ত্বাবধান করা ছাড়াও অফিস কক্ষে বসেও সিসি ক্যামেরায় সর্বদা কাজ মনিটরিং করেন কথায় পটু এ ব্যবসায়ী।

২০১২ সাল পর্যন্ত টায়ারের দোকানে কাজ করেছেন জানিয়ে সাইফুল বলেন, ২০০৬ সালে বিয়ের পরই আমার ভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করে। এর মধ্যে ২০১১ সালে আমি ১৭ লাখ রিঙ্গিতে (বর্তমানে ১ রিঙ্গিত ২০ টাকা) ৫৭ হাজার বর্গফুট জায়গা কিনি। এ জায়গাতেই পরিচালনা করা হচ্ছে টায়ার ব্যবসা।

মালাক্কায় একমাত্র বাংলাদেশি টায়ার ব্যবসায়ী সাইফুল পুরো কারখানা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখিয়ে বলেন, ১০ বছর ধরে ব্যবসা পরিচালনা করছি। এখানে আসলে যে কাউকেই টায়ার কিনতেই হবে, কারণ আমার এখানে সব ধরনের টায়ার পাওয়া যায়।চীন থেকে টায়ার আমদানি করেন সাইফুল। নতুন নতুন টায়ারের পাশাপাশি বাইরে থেকে আনা সেকেন্ডহ্যান্ড টায়ারও পাওয়া যায় ‘সাইফুল টায়ার সার্ভিস’ এ। রয়েছে সম্পূর্ণ কম্পিউটারাজইড পদ্ধতিতে টায়ার ব্যালান্সিংয়ের ব্যবস্থা। কারখানায় কর্মরত ১০ শ্রমিকের ৫ জন বাংলাদেশি।
প্রতিমাসে অন্তত তিন কন্টেনার অর্থাৎ ৮শ’ টায়ার বিক্রি করেন সাইফুল। মানভেদে প্রতিটি টায়ারে তার মুনাফা থাকে দুই থেকে তিনশ’ রিঙ্গিত।

এ ব্যবসায় প্রচুর অর্থের প্রয়োজন জানিয়ে বলেন, বাজারে কমপক্ষে দুই কোটি টাকা বকেয়া।রাজধানীর উত্তরখানে নিজের একটি বাড়ি রয়েছে সাইফুলের। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশে বর্তমানে তার রয়েছে হ্যাচারি ব্যবসা, ইটভাটা। দেশে গেলে বাড়িতে থাকলেও কয়েকদিনের জন্য বেড়িয়ে যান রাজধানীর বাড়িতেও। অন্য সময়টায় ছোট ভাই দ্বিতল বাড়ির দেখাশোনা করেন। সম্প্রতি মালাক্কায় আরেকটি জায়গা কিনেছেন, সেখানে মিনি মার্কেট করার ইচ্ছা রয়েছে তার।

এছাড়াও করছেন সবজির ব্যবসা। প্রায় ১২০ বিঘা জমিতে তিনি ফলাচ্ছেন ঢেঁড়স, বরবটি, বেগুন, শসা, উস্তা, ঝিঙা। মাঠ পর্যায়ে এসব পরিচর্যা করতে কাজ করছেন অন্তত একুশ’ জন শ্রমিক। যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি।

বাংলাদেশিরা টায়ারের ব্যবসায় আসতে চাইলে কৌশলী এ ব্যবসায়ীর পরামর্শ- কাজ জানা থাকতে হবে, নয়তো কঠিন। প্রয়োজন অনেক টাকার। তবে বাংলাদেশিদের জন্য সাহায্যের হাত খোলাই থাকবে বলে জানান সদা হাস্যোজ্জ্বল এ ব্যবসায়ী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design by: JIT Solution