পাংশায় মাদ্রাসা থেকে ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

0
469

মাসুদ রেজা শিশির ॥
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৌরাট ইউপির বড় চৌবাড়িয়া হামিউসসুন্নাহ কওমি মাদ্রাসার শ্রেণী কক্ষ থেকে রবিবার রাতে মেহেরাব খান (১২) নামে এক ছাত্রের মহদেহ উদ্ধার করেছে পাংশা থানা পুলিশ। নিহত মেহেরাব একই এলাকার সৌদি প্রবাসী তাব্বেল খান এর ছেলে। সে বড় চৌবাড়িয়া (চরপাড়া) হামিউসসুন্না মাদ্রাসার মক্তব বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলো।
এ সংবাদ পেয়ে রাতেই সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) সুমন কুমার সাহা ও পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ মাসুদুর রহমান এস আই মোঃ হুমায়ুন রেজাসহ পুলিশ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করেন।
এ বিষয়ে নিহত মেহেরাবের দাদা আব্দুর রাজ্জাক খাঁ বলেন, আমি মাগরিবের নামাজ পরে প্রায় এক কিলোমিটার পথ হেটে প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাবার নিয়ে মাদ্রাসায় আসি। এসে দেখি আমার দাদু মেহেরাব মাদ্রাসার ক্লাস রুমের মধ্যে গলায় পাগড়ি পেঁচানো অবস্থায় ডাপের সাথে ঝুলছে। এরপর দ্রুত আমি দাদু ভাইকে জাপটে ধরে উঁচু করে মানুষ ডাকি। এরপর ডাঁপ থেকে ওকে নামাই।
জানা যায়, ঘটনার সময় মাদ্রাসার শিক্ষকগন পাশেই মসজিদে মাগরিবের নামাজ পরবর্তি হাদিসের আলোচনায় ব্যাস্ত ছিলেন। মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মোঃ রিয়াজুল ইসলাম জানান, অত্র প্রতিষ্ঠানটি কেজি, মক্তব ও হেফজ শাখা মিলে মোট ৪২ জন ছাত্র ও ৫ জন শিক্ষক ছিলো।
স্থানীয় একটি সুত্রে জানা যায়, শিশু মেহেরাবকে নগর বাথানের একটি মাদ্রাসা থেকে গত ৮ দিন আগে এই মাদ্রাসাতে এনে ভর্তি করা হয়। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ রিপোর্ট লেখা অবদি সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারে শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে।
এ ব্যাপারে পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন ময়না তদন্তের রির্পোট পেলেই সঠিক কারণ জানা যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here