1. jitsolution24@gmail.com : Rajbaribd desk : Rajbaribd desk
বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন

দৌলতদিয়ায় নিখোঁজের ৩ মাস পর মামালা ॥ কথিত স্বামীসহ আসামি ৩ জন

স্টাফ রিপোর্টার ॥
  • Update Time : রবিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২২
  • ৩৬০ Time View

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ার এনজিও কর্মী লিলি বেগমের (৪০) রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনার ৩ মাস পর আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। লিলি বেগম দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর নারী ও শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে কর্মরত বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন মুক্তি মহিলা সমিতির সহ সভাপতি।
মামলার বাদী লিলি বেগমের জামাতা মুরাদ হোসেন (২৮)। গত ১৪ জানুয়ারি গোয়ালন্দঘাট থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। যাহার নং-১৮, ধারা- ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী/০৩) এর ৭/৩০ দায়ের করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, লিলি বেগমের কথিত স্বামী লতিফ শেখ (৪৫) তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৪০) ও ছেলে রবিউল শেখ (২৪)সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন। লতিফ শেখ দৌলতদিয়া শামসু মাষ্টার পাড়ার বাসিন্দা ও দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি।
দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুলহাস মোল্লা জানান, লতিফ শেখ দৌলতদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি। লিলি বেগমের সাথে তার একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে জানি। কিন্তু লিলির নিখোঁজের ঘটনায় তার কিছু জানা নেই।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লিলি বেগমের সাথে লতিফ শেখ দীর্ঘদিন ধরে স্বামী -স্ত্রীর মতো সম্পর্ক রক্ষা করে চলেছেন। কিন্তু লতিফের স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাদের এ মেনে নিতে পারছিলেন না। লতিফ শেখ গত বছরের ১০ নভেম্বর দুপুরে দৌলতদিয়া শামসু মাষ্টার পাড়ার নিজ বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে নেয়। সেখানে যাওয়ার পর হতে সে নিখোঁজ রয়েছে। ওইদিন হতে তার মুঠোফোনও বন্ধ হয়ে যায়।
তাকে উদ্ধারের দাবিতে মুক্তি মহিলা সমিতির উদ্যোগে ইতিমধ্যে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এছাড়া রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ও পরিবারের পক্ষ হতে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
এ বিষয়ে মামলার বাদী মুরাদ হোসেন জানান, তারা সম্ভাব্য সকল জায়গায় তার শ্বাশুড়ির খোঁজ করেছেন। কিন্তু এতদিনেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। আমরা এ নিয়ে লতিফ শেখের সাথে কথা বলতে গেলে তারা কোন সহযোগিতামূলক কথা বলেনি। উল্টো আমাদের সাথে অসদাচরণ করেছেন। আমার ধারনা লতিফ শেখ অসৎ উদ্দেশ্যে তার স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের অন্যান্যদের সহযোগীতায় কৌশলে আমার শ্বাশুড়িকে অপহরন করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখেছেন।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, লিলি বেগম নিখোঁজের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা হয়েছে। আমরা ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য কাজ করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design by: JIT Solution