1. jitsolution24@gmail.com : Rajbaribd desk : Rajbaribd desk
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন

আ’লীগ সারে ২৮ হাজার কোটি ভূর্তকি দেয়, আর বিএনপি সারের টাকায় বড়লোক হয় – কৃষি মন্ত্রী

রুবেলুর রহমান ॥
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৪২৮ Time View

কৃষি মন্ত্রী ডা. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, পাশ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশে সারের দাম অনেক বেশি। কৃষকদের কথা ভেবে ওই সব দেশে থেকে বেশি দামে সার কিনে এনে দেশে কম দামে বিক্রি করছেন। শেখ হাসিনা সরকার ১টাকাও দাম বাড়ায় নাই। যার কারণে এ বছর সারে ২৮ হাজার কোটি টাকা ভূর্তকি দিতে হবে। সারের দাম কমানোর সুফল পাচ্ছে এখন কৃষকরা। বিএনপির আমলে ৯০ টাকা কেজি সার বিক্রি করা হতো। আর তার লাভ নিজেরা ভাগবাটোয়ারা করে বড়লোক হয়েছে। দেশ উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগ সেই সার এখন ১৬টাকা কেজিতে বিক্রি করছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে রাজবাড়ী পৌর মিলনায়তনে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বিপনন বিষয়ক আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, পেয়াজ এক নম্বর মসলা, সব তরকারিতে পেয়াজ লাগে। পেয়াজ পচনশীল, বেশি দিন ঘরে রাখা যায় না। যার কারণে আশ্বিন কার্তিক মাসে দাম বেড়ে যায়। যখন দাম বাড়ে তখন মিডিয়ায় লেখালেখি শুরু হয়। এবং এক শ্রেনীর মানুষ সমালোচনা করে। কৃষক পেয়াজে ভাল দাম পাবে। পেয়াজ সংরক্ষণের জন্য রাজবাড়ীতে ৫৫টা ও ফরিদপুরে ৬৫ ঘর নির্মান হবে। ঘর নির্মান হলে পেয়াজ রাখা কোন সমস্যা হবে না। এবং তখন ভারতের দিক তাকায় থাকতে হবে না। এছাড়া বর্তমান ব্যবস্থা ছারাও আরও কম সুদে কৃষকের ঋণের ব্যবস্থা করবেন।
কৃষি মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষি পন্যের উৎপাদন বাড়াতে বিজ্ঞানীরা নতুন নতুন জাত আবিষ্কার করছেন। আগে যে পরিমান উৎপাদন হতো, এখন তার থেকে অনেক বেশি উৎপাদন হয়। ধান আগে বিঘায় ৪/৫ মনের পরিবর্তে এখন ৩০ মন হয়। আলু এখন বিঘায় ১৫০ মন হয়। আর পেয়াজ এক বিঘায় ৭০ থেকে ৮০ মন উৎপাদন হবে সে জাতও পেয়েছেন। ভবিষৎতে কৃষকরা সে জাত ব্যবহার করবে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কৃষি বিপ্লবের কথা বলতেন। কিন্তু তিনি সেটি করে যেতে পারেন নাই। আজ তার কন্যা শেখ হাসিনা অনেকটাই দেশ এগিয়ে নিয়ে গেছে।
সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, রাজবাড়ী-১ আসনের এমপি কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি মোঃ জিল্লুল হাকিম, সংরক্ষিত আসনের এমপি খোদেজা নাসরিন, সালমা চৌধুরী রুমা প্রমূখ। এছাড়া জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সালাহউদ্দিন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক এসএম সহীদ নূর আকবর, পৌর মেয়র আলমগীর শেখ তিতুসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় পেয়াজ উৎপাদনের পাশাপাশি সংরক্ষণের ব্যবস্থা ও বাজারে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি করেন কৃষকরা। এছাড়া সকল কৃষি পন্যের উন্নত জাত ও চাষাবাদের বিষয়ে কৃষকদের সহযোহিতা করতে কৃষি অফিসের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design by: JIT Solution