1. jitsolution24@gmail.com : Rajbaribd desk : Rajbaribd desk
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন

একযুগ পর গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ান অপারেশন

মেহেদী হাসান ॥
  • Update Time : সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২
  • ২০৯ Time View

দীর্ঘ একযুগ পর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ান অপারেশন শুরু হয়েছে। সোমবার (১৫ আগষ্ট) দুপুরে সফল সিজারিয়ান অপারেশনে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের কাচরন্দ এলাকার শারমিন আক্তার ও আমানত মোল্লা দম্পতির ঘরে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।
সন্তান জন্মের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীর সূত্র ধরে ও শিশু রাসেলের সঙ্গে নামের মিল রেখে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. আমিরুল হক শিশুটির নাম রাখেন শাহাদাৎ হোসেন রাসেল। মা ও শিশু উভয়েই সুস্থ আছেন।
রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. ইব্রাহিম টিটন এর সার্বিক সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে এবং গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ মো. আমিরুল হকের নেতৃত্বে এ অপারেশন টিমে ছিলেন জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি এন্ড অবস) ডা. তৃপ্তি সরকার , জুনিয়র কনসালটেন্ট (এনেস্থেসিয়া) ডা. প্রদীপ কান্তি পাল, সহকারী সার্জন ডা. নাজনীন নাহার নীরা, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহ মো. শরিফ, সিনিয়র স্টাফ নার্স হোসনে আরা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৭সালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু করা হয়। পরবর্তীতে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ২০০০ সালে প্রসূতি সেবা চালু করা হয়। ২০১১ সাল পর্যন্ত ৯টি সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। অবকাঠামোগত সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা থাকার পর অ্যানেস্থেসিয়া ও গাইনি সার্জারী চিকিৎসকের অভাবে গত ১১ বছর সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ ছিল। তবে নরমাল (স্বাভাবিক) প্রসব বিভাগ চালু ছিল।
নবজাতকের পিতা আমানত হোসেন বলেন, অনেক বছর এই হাসপাতালে কোন সিজার অপারেশন করা হয় না। তাই আমার স্ত্রীর অপারেশনে একটু ভয় লাগছিলো। তবে আল্লাহর রহমতে ডাক্তার ও নার্সদের সার্বিক সহযোগিতায় সফলভাবে অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি সন্তান ও সন্তানের মা উভয়েই সুস্থ আছে। হাসপাতালের সকল ডাক্তার ও নার্সদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সে।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ আমিরুল হক বলেন, অপারেশনের সকল সরঞ্জাম থাকার পরও অ্যানেস্থেসিয়া ও গাইনি চিকিৎসক না থাকায় সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ ছিল। বর্তমানে গাইনি সার্জারী চিকিৎসক এবং অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক যোগদান করেছে। জাতীয় শোক দিবসের বিশেষ দিনে সিজারিয়ানের মাধ্যমে জম্ম নেওয়া শিশু নাম রাখা হয়েছে শাহাদাৎ হোসেন রাসেল। এখন থেকে নিয়মিত সিজার করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design by: JIT Solution