1. jitsolution24@gmail.com : Rajbaribd desk : Rajbaribd desk
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০২:১৪ অপরাহ্ন
Title :
৬০ বছরের স্বপ্ন পূরন ॥ গোয়ালন্দে ২ কিলোমিটারের সেই রাস্তাটির প্রকল্প অনুমোদন দৌলতদিয়া ঘাটের দালাল চক্রের ১১ সদস্য আটক রাজবাড়ী কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মিঠু সভাপতি, সাগর সম্পাদক রাজবাড়ী জেলা শাখা ফারিয়া’র নির্বাচন গোয়ালন্দে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ইমাম কমিটির কর্মশালা গোয়ালন্দে থানা পুলিশের অভিযানে দালালসহ ৬জন গ্রেপ্তার পাংশায় সাংবাদিক কাজী সেলিম মাবুদের অষ্টম গ্রন্থ “পাহাড়ি জোছনা”র মোড়ক উন্মোচন কালুখালীতে একটি সেতু না থাকায় দুর্ভোগ রাজবাড়ীতে নমুনা পরীক্ষার প্রায় অর্ধেকই করোনা আক্রান্ত ॥ নেই সচেতনতা “ডেসটিনি নিহাজ জুট মিল” ॥ আদালতের ক্রোকের নির্দেশনার পরও মিল চালাচ্ছে কারা!

একটু সহানুভুতি বাঁচাতে পারে গোয়ালন্দের মোহাম্মদকে

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ১১৪৩ Time View

শিশু বয়সেই বাবাকে হারিয়ে জীবন সংগ্রামে একটু একটু করে লড়ে স্নাতক পর্যন্ত লেখাপড়া করে মোহাম্মদ মোল্লা। কিন্তু বয়স শেষ হয়ে গেলেও তেমন কোন চাকরি জোটেনি তার। ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করে সে। কিছুদিন কাজ করার পর নিজেই ব্যবসা শুরু করে সে। ভালোই চলছিল তার। এরই মধ্যে গুরুতর এক অসুখ তার শরীরে বাসা বাঁধে। আর এই অসুখে সর্বশান্ত হয়ে এখন মৃত্যুর সাথে লড়ছে মোহাম্মদ মোল্লা। সে গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চর কৃষ্ণপট্টি গ্রামের মৃত মানিক মোল্লার ছেলে।
মোহাম্মদের পারিবারিক সূত্র জানায়, মোহাম্মদ মোল্লার পেট ও হৃদযন্ত্রের সংবেদনশীল স্থানে টিউমারের অবস্থান ধরা পড়েছে। তিনি বর্তমানে রাজধানীর ধানমন্ডি ক্লিনিকে ডা. আহমেদ সরওয়ার মর্শেদ এর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন। স্বাভাবিক অপারেশনে টিউমারটি অপসারন করা যাবে না। টিউমারটি বিশেষ ব্যবস্থায় চার ধাপে অপারেশন করতে হবে। ইতিমধ্যে একটি অপারেশ সম্পন্ন করেছেন চিকিৎসক। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় এক লক্ষ টাকা। এর আগে রোগটি নির্ণয়সহ ওই অপারেশনের ব্যায় বহন করতে গিয়ে নিজের আর্থিক সামর্থ পুরোটাই শেষ হয়ে গেছে তার। কিন্তু চিকিৎসা চালিয়ে যেতে আরো খচর হবে কয়েক লাখ টাকা। সেই টাকা খচর করার সামর্থ মোহাম্মদ মোল্লার নেই। তাই সমাজের সামর্থবানদের সহায়তাই পারে মোহাম্মদের পরবর্তী চিকিৎসা সম্পন্ন করতে।
মোহাম্মদ মোল্লার মা খোদেজা বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, জন্মের পরপারই ওর বাবার মৃত্যু হয়। অনেক কষ্ট করে লেখাপাড়া শিখে খেয়ে পড়ে কোনমতে ভালোই চলছিল আমাদের। মোহাম্মদেরও দু’টি কন্যা সন্তান হয়েছে। একটু সুখের মুখ দেখার আগেই আমাদের পরিবারে নেমে এসেছে অন্ধকার। এখন ছেলেকে চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য আমাদের নেই। আমি সমাজের বিত্তবানদের আমার ছেলে চিকিৎসায় এগিয়ে আসতে অনুরোধ করছি। তা না হলে আমার ছেলেটা বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে। এতিম হবে দু’টি শিশু। স্বহৃদয় ব্যাক্তিদের ০১৭৩৪ ৭১৩৮৬৬ নম্বরে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design by: JIT Solution