1. jitsolution24@gmail.com : Rajbaribd desk : Rajbaribd desk
মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন

বালিয়াকান্দিতে বয়স গোপন করে শিক্ষক পদোন্নতির অভিযোগ!

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০১৯
  • ৫৬৪ Time View

সোহেল রানা ॥
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে জন্ম তারিখ গোপন করে এক শিক্ষকের প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্বের প্রজ্ঞাপন জারীর পর এলাকায় শিক্ষক মহলের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা, বিদ্যালয়-২ শাখার উপ-সচিব মো: মাহবুবুর রশীদ স্বাক্ষরিত গত ১০ মার্চ এক প্রজ্ঞাপনে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ১৪ জন সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। ওই তালিকায় সিনিয়র শিক্ষকদের পাশ কাটিয়ে পদোন্নতি পেয়েছে গণপত্যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাগরিস সুলতানা।
নারগিস সুলতানার সার্ভিস বহি সূত্রে জানা গেছে, এসএসসি সনদ অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ১৬-০৯-১৯৭৭ইং। তিনি ০২-০৭-২০০০ইং তারিখে সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করেন। কিন্তু অদৃশ্য কারণে বালিয়াকান্দি উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে তাঁর জন্ম তারিখ ১৬-০৯-১৯৭০ইং উল্লেখ পূর্বক পদোন্নতির জন্য তালিকা উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. সিরাজুল ইসলাম কর্তৃক স্বাক্ষরিত উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়।
ভুক্তভোগী স্বর্পবেতাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নারগিস সুলতানা সচেতন ভাবেই জন্ম তারিখ গোপন করে তালিকায় নাম এনেছে। আমি তার থেকে চাকুরী এবং জন্মের তারিখ ২ ভাবেই সিনিয়র। তারপরেও প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্বে আমার নাম না নেই, নাম এসেছে তার। সে স্পষ্ট ভাবেই এটি করেছে, সম্প্রতি রাজবাড়ী সদরে তার বদলীর অর্ডার হলেও সে বদলী ঠেকাতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে দৌড় ঝাপ শুরু করেছে। আমি বিষয়টি তদন্তের জন্য উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত গণপত্যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নারগিস সুলতানা বলেন, পদোন্নতির বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। আমার জন্ম তারিখ ১৬-০৯-১৯৭৭ইং। আমি ইতিমধ্যেই রাজবাড়ী সদর উপজেলায় যোগদান করেছি। যদি ভুল করে অফিস করেছে। আমি কিছু জানি না। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ সিরাজুল ইসলাম বিশ্বাস জানান, চলতি দায়িত্বের জন্য একাধিকবার শিক্ষকের তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে, ভুলবশত এটি হয়েছে। সংশোধনের জন্য উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হবে। আশা করছি খুব শীঘ্রই বিষয়টির সমাধান হবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হোসনে ইয়াসমিন করিমী জানান, এটি অফিসের ভুলের জন্যও হতে পারে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে যদি ভুল হয়ে থাকে তাহলে সংশোধনীর জন্য প্রেরণ করা হবে আর যদি অনিয়ম করা হয় তাহলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 




Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design by: JIT Solution