1. jitsolution24@gmail.com : Rajbaribd desk : Rajbaribd desk
মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন

গোয়ালন্দের ‘মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষণ জাদুঘর’ পরিদর্শন করলেন ইউএনও

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১০৬৯ Time View

দেশের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বেড়ে উঠতে এবং প্রেরণা জোগাতে ব্যক্তি উদ্যোগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের কাশিমা গ্রামে গড়ে ওঠা ‘মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সংরক্ষণ জাদুঘর’ ছড়িয়ে দিচ্ছে চেতনা। সোমবার জাদুঘরটি পরিদর্শন করেন গোয়ালন্দের নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু নাসার উদ্দিন।

 




মুক্তিযোদ্ধা ও ছোটভাকলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা গিয়াস সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক উদ্যোগে ২০০১সালে জাদুঘর প্রতিষ্ঠা শুরু করেন। নিজ বাড়ির উঠানে দুই শতাংশ জমির উপর নির্মিত জাদুঘরটি সংস্থার নামে রেজিষ্ট্রি করে দেন তিনি। ২০০৯সালের ১৯মে জাদুঘরটির সূচনা ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন ঢাকা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্র্যাষ্টি ও সদস্য সচীব মফিদুল হক। গোলাম মোস্তফা জাদুঘরটিকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে অক্লান্ত শ্রম দিতে থাকেন।

ইতিমধ্যে এখানে ঠাই পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালীন দুর্লভ তিন শতাধিক ছবি, বিভিন্ন স্মৃতি স্মারক। রয়েছে রাজবাড়ী ও গোয়ালন্দের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযোদ্ধাদের ছবি, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্মারকসহ ভারতের কল্যানী ক্যাম্পের কিছু দুর্লভ ছবি, বঙ্গবন্ধুর মুক্তি সংগ্রামের আহবানের ছবি, পাক সেনাপতির আতœসমর্পনের ছবি। এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রামে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মুক্তিযোদ্ধাদের গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনের দৃশ্য।

জাদুঘরের সংগ্রহশালাগুলো সাজানো হয়েছে চারটি গ্যালারীতে। রাজবাড়ীর অন্যতম মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সাবেক সাংসদ কাজী হেদায়েত হোসেন, শহীদ আব্দুল আজিজ খুশি, ভাষা সৈনিক ও সাবেক সাংসদ ওয়াজেদ চৌধুরী ও শহিদ ফকির মহিউদ্দিনের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

শাপাশি গড়ে তোলা হয়েছে একটি লাইব্রেরী। যেখানে ঠাঁই পেয়েছে জাদুরঘর নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রকাশিত সংবাদ পত্রের সচিত্র প্রতিবেদন। ২০১৩সালের ৮ডিসেম্বর আনুষ্ঠানকিভাবে এটি উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধকালীন গোয়ালন্দ অঞ্চলের মুজিব বাহিনী প্রধান ও মুক্তিযোদ্ধা ফকির আব্দুল জব্বার। এরপর থেকে এটি সবার জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয়। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মানুষ দেখতে আসেন।

প্রতিষ্ঠাতা গোলাম মোস্তফা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে তৃণমূল পর্যায়ে তুলে ধরতে আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। সে স্বপ্নের বাস্তবায়ন আজ সকলের সহযোগিতায় করা সম্ভব হচ্ছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু নাসার উদ্দিন রাজবাড়ীবিডিকে জানান, ব্যাক্তি উদ্যোগে নিভৃত পল্লীতে এ ধরনের একটি প্রতিষ্ঠান সত্যিই প্রসংশনীয়। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে এ জাদুঘরে শিশু-কিশোর ও বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের পরিদর্শন নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design by: JIT Solution